খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 2020-21

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(কুয়েট) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 2020-21, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 2020 -21 প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি খুলনা জেলায় অবস্থিত। এটি 1967 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এরিয়া 101 একর। এখন কুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সম্পর্কে তথ্য গুলো তুলে ধরা হল:

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা 2020- 21:

প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে 2018 সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ন্যূনতম জিপিএ 4.00 পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এরপর, শিক্ষার্থীকে 2020 সালে এইচএসসি পরীক্ষায় গণিত ,ইংরেজি রসায়ন এবং পদার্থবিজ্ঞানে সর্বমোট 18.00 পেতে হবে। এবং উল্লেখিত প্রতিটি বিষয় গুলোর মধ্যে পদার্থ বিজ্ঞান, গণিত ,রসায়ন পৃথকভাবে থাকতে হবে। এই তিনটি বিষয়ে কমপক্ষে এ গ্রেট এবং ইংরেজিতে 3.50 উত্তীর্ণ হতে হবে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে। এছাড়া, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হতে হলে, শিক্ষার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান এ ন্যূনতম
জিপিএ 4.00 থাকতে হবে। এবং শিক্ষার্থী যদি জিসিই ও লেভেল এবং এ লেভেল পাস করে থাকে তাহলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে এবং জিসিই এ লেভেল পরীক্ষায় রসায়ন ,পদার্থ বিজ্ঞান এবং গণিতে পৃথকভাবে বি গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এছাড়াও, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভর্তি হতে হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে জিসিই এ লেভেল পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান এ কমপক্ষে ন্যূনতম বি গ্রেড পেতে হবে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর বিষয় ও আসন সংখ্যা:

বিদ্যুতিক প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং।
সর্বমোট আসন সংখ্যা 120 টি।
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 120 টি।
ইলেকট্রনিক্স এন্ড যোগাযোগ ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 60টি।
বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 30 টি।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 30 টি।
উপাদান বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 60 টি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট সিট সংখ্যা 60টি ।
বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট। মোট আসন সংখ্যা 60টি।
আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 40 টি।
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 120 টি।
শিল্প উত্পাদন প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 60টি।
চামড়া প্রকৌশল। সর্বমোট আসন সংখ্যা 60টি।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 60টি।
শক্তি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল। মোট আসন সংখ্যা 30 টি।
রাসায়নিক প্রকৌশল। সর্বমোট আসন সংখ্যা 30 টি।
মেচাট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 30 টি।
সুতরাং, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সর্বমোট আসন সংখ্যা 1065 টি।

বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিট সংখ্যা খুবই সীমিত। কিন্তু, শিক্ষার্থীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কেননা, বিজ্ঞান বিভাগের প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর প্রথম পছন্দের স্থান হল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো। সুতরাং এজন্য, প্রতিটি শিক্ষার্থীর উচিত, সফলতা অর্জন করার জন্য কঠোরভাবে সাধনা করা। তাহলে কেবল সফলতা অর্জন সম্ভব।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( কুয়েট) ভর্তির রেজাল্ট 20-21:

 

বাংলাদেশের অন্যতম ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে একটি হল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের খুলনা জেলায় অবস্থিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি 1967 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস 101 একর। আমরা এখন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আলোচনা করব।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় ও আসন সংখ্যা:

বিদ্যুতিক প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং। আসন সংখ্যা 120 টি।
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। সিট 120 টি।
ইলেকট্রনিক্স এন্ড যোগাযোগ ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 60টি।
বায়োকেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। আসন সংখ্যা 30 টি।
উপাদান বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং। আসন সংখ্যা 60টি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা ইঞ্জিনিয়ারিং।
সর্বমোট আসন সংখ্যা 60টি।
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। আসন সংখ্যা 120 টি।
বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট। মোট আসন সংখ্যা 60টি।
আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 40 টি।
শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল। মোট আসন সংখ্যা 60টি।
চামড়া প্রকৌশল। আসন সংখ্যা 60টি।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। সর্বমোট আসন সংখ্যা 60টি।
শক্তি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল। মোট আসন সংখ্যা 30 টি।
রাসায়নিক প্রকৌশল। আসন সংখ্যা 30 টি।
মেচাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং। মোট আসন সংখ্যা 30 টি।
কুয়েটে, এই সর্বমোট 1065 টি আসন সংখ্যা রয়েছে।

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের ভর্তির যোগ্যতা 2020-21:

শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশের যেকোনো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড /মাদ্রাসা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক/ আলিম/ সমমান পরীক্ষায় গণিত পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন এবং ইংরেজী চারটি বিষয়ে কমপক্ষে18.00 থাকতে হবে। এবং বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় উক্ত বিষয় সমূহে কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে।

এছাড়া বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হতে হলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বা সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান এ ন্যূনতম জিপিএ 4.00 পেতে হবে। শিক্ষার্থী যদি সিজিই ও লেভেল এবং এ লেভেল পাস করে থাকে তাহলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পাঁচটি বিষয়ে কমপক্ষে বি গ্রেড উত্তীর্ণ হতে হবে এবং সিজিই এ লেভেল পরীক্ষায় রসায়ন গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানে পৃথক পৃথকভাবে বি গ্রেট পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এছাড়াও, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে এ লেভেল পরীক্ষায় জীব বিদ্যায় কমপক্ষে বিগ্রেড পেতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী নির্বাচন:

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রের মাধ্যমে মাধ্যমিক পরীক্ষার গণিত পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন এবং ইংরেজি এই চারটি বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেট পয়েন্টের ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে তালিকা থেকে প্রথমে 12000 জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু 12 হাজারের বেশি হলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যথাক্রমে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ,রসায়ন এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেডের ভিত্তিতে 12000 তম শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ন্যূনতম শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ দেওয়া হবে।

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন:

সর্বমোট 2 ঘন্টা 30 মিনিট পরীক্ষা হবে। মোট 500 নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা মূলত mcq প্রশ্নের মাধ্যমে হবে। এতে, গণিত 150 ,রসায়ন 150, পদার্থবিজ্ঞান 150 এবং ইংরেজী 50 নম্বর থাকবে। প্রতিটি বিষয় থেকে 25 টি করে প্রশ্ন করা হবে। এবং 25 টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল:

কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই থেকে চার দিনের মধ্যে প্রকাশিত হয়। সুতরাং, ফলাফল পেতে হলে, অবশ্যই প্রতিটি শিক্ষার্থীকে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নজর রাখতে হবে। এবং ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয় ভর্তির সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে এবং ভর্তির কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে হবে।

Kamrul Islam

কামরুল ইসলাম শিক্ষা বিষয়ক নিউজ এবং আর্টিকেল লিখে আসছে প্রায় ৫ বছর থেকে। দীর্ঘসময়ের অভিজ্ঞতা থেকে সৃজনশীল লেখার জন্য সহয়ে দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হন। এই ওয়েবসাইটে তার অনেকগুলো লেখা প্রকাশিত হয়েছে যার মধ্যে এটি একটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *